পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ তারিখ সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান তাপস। সেদিন রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। যদিও পরদিন সকালে তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন, কিন্তু একইদিন সন্ধ্যায় আবার বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যান।
এরপর শুক্রবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ভরত ঘোষের মোড় এলাকায় একটি টমেটো বাগানের পাশের মাঠে, মন্দির সংলগ্ন স্থানে তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
ঘটনার বিবরণ
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মাঠের মধ্যে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পড়ে ছিল দেহটি। ঘটনাটি নজরে আসতেই দ্রুত এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এবং খবর দেওয়া হয় মগরাহাট থানায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পাশাপাশি গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
খুনের সন্দেহ, ধোঁয়াশা কাটেনি
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শ্বাসরোধ করে ওই যুবককে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি এবং দেহের অবস্থা খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন।
তদন্তে একাধিক দিক
এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ—
মৃতের গতিবিধি খতিয়ে দেখছে
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছে
নিখোঁজ থাকার সময়ে তাঁর সঙ্গে কারা যোগাযোগে ছিল তা খোঁজার চেষ্টা করছে
প্রয়োজনে সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
এলাকায় আতঙ্ক ও জল্পনা
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, এ ধরনের ঘটনা এলাকায় বিরল।
রাতে কী ঘটেছিল এবং কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হল, তা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পিছনে পরিকল্পিত অপরাধ থাকতে পারে।
শেষকথা
মগরাহাটের এই রহস্যময় মৃত্যু নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে।
একজন যুবকের নিখোঁজ হওয়ার পর মাঠ থেকে দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য যেমন বেড়েছে, তেমনই তদন্তের ফলাফলের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয় মানুষ।
এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সামনে আসবে কি না এবং দোষীরা চিহ্নিত হবে কি না, এখন সেই দিকেই নজর সবার।