নিজস্ব সংবাদদাতা, SeNews Bangla:
১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘ভারত বনধ’। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির প্রতিবাদে একাধিক শ্রমিক সংগঠন ও কৃষক সংগঠন এই ২৪ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে। মধ্যরাত থেকেই বিভিন্ন রাজ্যে বনধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
কেন এই বনধ?
শ্রম আইন সংশোধন, বেসরকারিকরণ নীতি এবং কৃষি ও বাণিজ্য সংক্রান্ত কিছু কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় এই সর্বভারতীয় কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সংগঠনগুলির দাবি, নতুন নীতিগুলি শ্রমিক ও কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী।
🏦 ব্যাংক পরিষেবা
ব্যাংক কর্মচারী সংগঠনের একটি অংশ বনধে সমর্থন জানানোয় বহু জায়গায় শাখা ব্যাংক পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তবে
✔ এটিএম পরিষেবা স্বাভাবিক
✔ অনলাইন ব্যাংকিং চালু
গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
🚌 পরিবহণ ব্যবস্থা
কিছু রাজ্যে বাস, অটো ও ট্যাক্সি পরিষেবায় আংশিক প্রভাব পড়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তা অবরোধের খবর মিলেছে।
তবে রেল ও বিমান পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।
🏫 স্কুল-কলেজ
সারা দেশে সরকারি ভাবে কোনও ছুটির ঘোষণা হয়নি। অধিকাংশ রাজ্যে স্কুল-কলেজ খোলা রয়েছে।
তবে স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছু জায়গায় কর্তৃপক্ষ সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
🏛 সরকারি দপ্তর ও বাজার
সরকারি দপ্তরে উপস্থিতি কম থাকতে পারে। অনেক জায়গায় বাজার ও দোকানপাট আংশিক বন্ধ রয়েছে।
🚑 জরুরি পরিষেবা
হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ, দমকল সহ জরুরি পরিষেবাগুলি সচল রাখা হয়েছে।
কোন কোন রাজ্যে বেশি প্রভাব?
কেরল, ওড়িশা ও কিছু উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে বনধের প্রভাব তুলনামূলক বেশি।
অন্যদিকে দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক থাকলেও সতর্কতা জারি রয়েছে।
প্রশাসনের বার্তা
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন রাজ্যে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
SeNews Bangla নজর রাখছে পরিস্থিতির উপর। আপডেট পেতে সঙ্গে থাকুন।