শুক্রবার দুপুরে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা ও বাংলাদেশ, কলকাতাতেও অনুভূত কম্পন

শুক্রবার দুপুর প্রায় ১টা ২২ মিনিট নাগাদ আচমকাই কেঁপে উঠল মাটি। মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়াল পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশ জুড়ে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.৯। কম্পনের উৎসস্থল বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা বলে জানা গিয়েছে। এই কম্পন Kolkata-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়।

কোথায় ছিল কম্পনের কেন্দ্র?

প্রাথমিক ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কম্পনের কেন্দ্র ছিল বাংলাদেশে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে। এর প্রভাব পড়ে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

কলকাতায় আতঙ্ক

কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কম্পন টের পান বাসিন্দারা। বহুতল আবাসন, অফিস এবং বাজার এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে দুলুনি অনুভূত হয়। অনেকেই সতর্কতাবশত বাড়ি বা অফিস থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ভূমিকম্পের খবর।

এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।

বাংলাদেশেও কাঁপন

কম্পনের উৎস বাংলাদেশ হওয়ায় সেখানেও আতঙ্ক ছড়ায়। রাজধানী ঢাকা-সহ একাধিক এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্প মাঝারি ধরনের হলেও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে। পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশ ভূকম্পন প্রবণ অঞ্চলের অন্তর্গত হওয়ায় এই ধরনের কম্পন নতুন নয়। তবে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য আফটারশকের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের সতর্কবার্তা

বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর নাগরিকদের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বহুতলে বসবাসকারীদের প্রয়োজনে সিঁড়ি ব্যবহার করা এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে লিফট ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির নজরদারি জারি রয়েছে। নতুন কোনও আপডেট এলে তা জানানো হবে।

About the Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like these