উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে চিতাবাঘ দেখার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক এখনও কাটছে না। সপ্তাহ দুয়েক আগে চিতাবাঘের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে সৃষ্টি হয় তুমুল চাঞ্চল্য। ঘটনার পরে কেটে গেছে প্রায় ১৪ দিন, কিন্তু ভয়ের আবহ এখনও অটুট।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কড়া নির্দেশে বিকেল ৫টা–৫.৩০টার পর বন্ধ করে দেওয়া হয় ক্যাম্পাসের বেশিরভাগ গেট। খোলা থাকে মাত্র দুটি প্রধান গেট, যার মাধ্যমে যাতায়াত করেন ছাত্রছাত্রী ও কর্মীরা।
অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া ক্যাম্পাসের বাইরে বেরোতে সাহস পাচ্ছেন না কেউ।
সাধারণত সন্ধ্যার পরে পড়াশোনা, টিউশন, গবেষণার কাজ অথবা নানান পড়ালেখার প্রয়োজন নিয়ে অনেক ছাত্রছাত্রী বাইরে যেতেন।
কিন্তু বর্তমানে—
ছাত্রছাত্রীরা জানিয়েছেন, রাত নামার পর ক্যাম্পাসজুড়ে যেন ছড়িয়ে থাকে অদৃশ্য এক ভয়।
প্রশাসন আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে—
এই ঘোষণার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও কঠোর হয়েছে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে, তবে ছাত্রদের আতঙ্ক কমেনি।
চিতাবাঘের আশঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে পুরোপুরি ব্যাহত করেছে।
ছাত্রছাত্রীদের আশঙ্কা—
“চিতাবাঘ ধরা না পড়া পর্যন্ত নিশ্চিন্ত হওয়া যাচ্ছে না।”
বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের ঘন জঙ্গল, ফাঁকা পথ এবং রাতের অন্ধকার এই উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
বনদপ্তরের টহল জারি থাকলেও চিতাবাঘটিকে এখনও শনাক্ত বা আটক করা সম্ভব হয়নি। এই কারণেই শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে।