শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে এক রোগীকে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই হাসপাতাল চত্বরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন রোগীর পরিজনেরা ও অন্যান্য রোগী-আশ্রিতরা।
পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসা পরিষেবা নিতে এসে রোগীকে শারীরিকভাবে অপমান সহ্য করতে হয়েছে, যা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তাঁদের দাবি, ওই চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার রোজকার ঘটনা, এবং অনেক রোগীই তাঁর কাছে যেতে চান না। হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে রোগীরা অভিযোগ তুলেছেন, আচরণগত সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা অসন্তুষ্ট।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চিকিৎসক। তাঁর দাবি,
“এমন কোনও ঘটনাই ঘটেনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
কিন্তু রোগীর পরিবারের পালটা দাবি—
ঘটনার সময় উপস্থিত বেশ কয়েকজন এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁদের মতে, চিকিৎসকের এমন আক্রমণাত্মক আচরণ অযৌক্তিক ও অনৈতিক।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন,
“কোন উদ্দেশ্যে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক রোগীর গায়ে হাত তুললেন?”
এই প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষের মনে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঘটনার পর প্রশাসনিক স্তরেও নড়চড় শুরু হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।