Today's News

Recent Story

About Us

Bengali Local News

কলকাতা পুলিশে শুরু হল ২৪x৭ সাইবার ফ্রড হেল্পলাইন, ডিজিটাল নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা পুলিশে শুরু হল ২৪x৭ সাইবার ফ্রড হেল্পলাইন, ডিজিটাল নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ

Bengali Local News

১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধ: কোথায় কী খোলা, কী বন্ধ? দেশজুড়ে প্রভাবের চিত্র

১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধ: কোথায় কী খোলা, কী বন্ধ? দেশজুড়ে প্রভাবের চিত্র

Hindi Local News

वैलेंटाइन वीक पर दंपतियों के लिए खास मौका: पोस्ट ऑफिस की ‘युगल सुरक्षा’ पॉलिसी में संयुक्त जीवन बीमा कवर

नई दिल्ली: वैलेंटाइन वीक के मौके पर जहां लोग अपने रिश्तों को खास बनाने में जुटे हैं, वहीं भारतीय डाक विभाग दंपतियों को एक अलग तरह का तोहफा देने की पेशकश कर रहा है। पोस्टल लाइफ इंश्योरेंस (PLI) की ‘युगल सुरक्षा’ पॉलिसी इन दिनों चर्चा में है, जिसमें पति-पत्नी दोनों को एक ही पॉलिसी के तहत संयुक्त जीवन बीमा कवर मिलता है।

Bengali Local News

ভ্যালেন্টাইনস উইকে দম্পতিদের জন্য বিশেষ সুযোগ! পোস্ট অফিসের ‘যুগল সুরক্ষা’ পলিসিতে মিলবে যৌথ জীবনবিমা কভার

নয়া দিল্লি: ভালোবাসার সপ্তাহে শুধুই উপহার বা রোম্যান্টিক আয়োজন নয়, ভবিষ্যৎ সুরক্ষার দিকেও নজর দিতে উৎসাহ দিচ্ছে ভারতীয় ডাক বিভাগের পোস্টাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স (PLI)। ভ্যালেন্টাইনস উইক উপলক্ষে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে পোস্ট অফিসের ‘যুগল সুরক্ষা’ (Yugal Suraksha) পলিসি, যেখানে স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই একসঙ্গে একটি যৌথ জীবনবিমা কভারের আওতায় আসতে পারেন।

সরকার পরিচালিত এই বিমা প্রকল্পটি মূলত দম্পতিদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি। একটিমাত্র পলিসির মাধ্যমে দুই সঙ্গীই সুরক্ষিত থাকবেন— ফলে আলাদা আলাদা দু’টি পলিসি নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

কী এই ‘যুগল সুরক্ষা’ পলিসি?

‘যুগল সুরক্ষা’ হল পোস্টাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের একটি জয়েন্ট লাইফ অ্যাস্যুরেন্স স্কিম। এতে স্বামী ও স্ত্রী একসঙ্গে বিমা সুরক্ষা পান। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে তারা একত্রে সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা কভার নিতে পারেন। ন্যূনতম বিমা কভার শুরু হয় তুলনামূলক কম অঙ্ক থেকে, যাতে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলিও সহজে এই স্কিমের আওতায় আসতে পারেন।

বয়সসীমা ও মেয়াদ

এই পলিসিতে আবেদন করার জন্য—

উভয় সঙ্গীর ন্যূনতম বয়স ২১ বছর হতে হবে।

সর্বোচ্চ প্রবেশ বয়স ৪৫ বছর।

পলিসির মেয়াদ সাধারণত ৫ বছর থেকে ২০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

অর্থাৎ, কর্মজীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়েই দম্পতিরা নিজেদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারবেন।

বিশেষ সুবিধা কী কী?

এই স্কিমে বেশ কিছু আকর্ষণীয় সুবিধা রয়েছে—

✔ বোনাস সুবিধা: নির্দিষ্ট সময় পর পলিসির উপর বোনাস যুক্ত হয়।
✔ লোন সুবিধা: পলিসি নেওয়ার তিন বছর পর ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকে।
✔ সারেন্ডার অপশন: প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট শর্তে পলিসি বন্ধ করা যায়।
✔ সারা দেশে ট্রান্সফারযোগ্য: যেকোনো পোস্ট অফিসে স্থানান্তর করা যায়।
✔ নমিনি পরিবর্তনের সুবিধা।

তবে পাঁচ বছরের আগে পলিসি বন্ধ করলে বোনাস না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মৃত্যুর ক্ষেত্রে কী নিয়ম?

যদি পলিসি চলাকালীন স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে একজনের মৃত্যু ঘটে, তাহলে জীবিত সঙ্গী পলিসির শর্ত অনুযায়ী আর্থিক সুবিধা পাবেন। ফলে পরিবার হঠাৎ আর্থিক সংকটে পড়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

কেন ভ্যালেন্টাইনস উইকে বিশেষ গুরুত্ব?

ভ্যালেন্টাইনস ডে সাধারণত ভালোবাসার প্রতীক হিসেবেই দেখা হয়। কিন্তু পোস্ট অফিসের এই উদ্যোগে বার্তা স্পষ্ট— শুধু আবেগ নয়, দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তাও ভালোবাসারই অংশ। সংসারের ভবিষ্যৎ, সন্তানের শিক্ষা, হোম লোন বা অন্যান্য দায়বদ্ধতার কথা মাথায় রেখে এই যৌথ বিমা পরিকল্পনা দম্পতিদের জন্য কার্যকর হতে পারে।

কারা নিতে পারবেন?

মূলত সরকারি কর্মচারী এবং নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা পোস্টাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আওতায় আবেদন করতে পারেন। আগ্রহীরা নিকটবর্তী পোস্ট অফিস বা সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মত

আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌথ জীবনবিমা পলিসি অনেক সময় পৃথক দুটি পলিসির তুলনায় কম প্রিমিয়ামে বেশি সুবিধা দিতে পারে। বিশেষ করে তরুণ দম্পতিদের জন্য এটি একটি স্মার্ট ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং টুল হতে পারে।

ভালোবাসার সপ্তাহে তাই শুধু উপহার নয়, ভবিষ্যতের সুরক্ষাও হতে পারে সবচেয়ে বড় উপহার। ‘যুগল সুরক্ষা’ পলিসি সেই সুযোগই এনে দিচ্ছে দম্পতিদের জন্য।

Hindi Local News

‘वंदे मातरम’ अब सरकारी कार्यक्रमों में अनिवार्य — गृह मंत्रालय ने जारी की नई गाइडलाइन

नई दिल्ली: केंद्र सरकार ने राष्ट्रीय गीत वंदे मातरम को लेकर एक महत्वपूर्ण फैसला लिया है। अब देश के सभी आधिकारिक और सरकारी आयोजन, स्कूल कार्यक्रमों और राज्य-स्तरीय कार्यक्रमों में वंदे मातरम को अनिवार्य रूप से गाने या बजाने का आदेश गृह मंत्रालय ने जारी किया है। इस फैसले का लक्ष्य राष्ट्रीय प्रतीकों के प्रति सम्मान और एकता की भावना को और मजबूती देना बताया जा रहा है।

छह छंदों वाला पूरा संस्करण होगा अनिवार्य

नए दिशा-निर्देशों के अनुसार अब केवल गीत के दो छंद ही नहीं, बल्कि वंदे मातरम का पूरा संस्करण — जिसमें कुल छह छंद शामिल हैं — गाया या बजाया जाएगा। इस पूरे संस्करण की अवधि लगभग 3 मिनट 10 सेकंड है, और यह अनिवार्यता विशेष तौर पर सरकारी कार्यक्रमों, समारोहों, स्कूलों और अन्य महत्वपूर्ण आयोजनों पर लागू होगी।

‘जन गण मन’ से पहले बजाया जाएगा

नये प्रोटोकॉल में यह भी कहा गया है कि जहाँ वंदे मातरम और राष्ट्रीय गान दोनों एक ही कार्यक्रम में हों, वहाँ पहले वंदे मातरम को बजाया या गाया जाएगा और उसके बाद जन गण मन को रखा जाएगा। उपस्थित लोगों से कहा गया है कि गीत के समय सम्मान स्वरूप सावधान मुद्रा में खड़े होना आवश्यक होगा।

किन-किन अवसरों पर लागू होगा आदेश

आधिकारिक निर्देश में बताया गया है कि यह नया नियम निम्न अवसरों पर लागू होगा:

सरकारी समारोह, शासकीय बैठकों तथा सांस्कृतिक कार्यक्रम

राष्ट्रीय ध्वज फहराने के कार्यक्रम

राष्ट्रपति या राज्यपाल के आगमन-प्रस्थान के समय कार्यक्रम

नागरिक सम्मान समारोह जैसे पद्म पुरस्कार वितरण आदि

स्कूलों और शैक्षणिक संस्थानों के सरकारी कार्यक्रम

हालाँकि सिनेमा हॉलों में वंदे मातरम का बजना अनिवार्य नहीं होगा, ताकि वहां दर्शकों के लिए असुविधा न हो और कार्यक्रम व्यवधान-रहित चले।

नया प्रोटोकॉल क्यों आया?

सरकार के मुताबिक वंदे मातरम भारत के स्वाधीनता आंदोलन और देश की एकता-एकात्मता का प्रतीक रहा है। इसका सम्मान बढ़ाने और राष्ट्रीय भावना को और मजबूत करने के लिए पिछले साल इस गीत की 150वीं वर्षगांठ के अवसर पर देशव्यापी कार्यक्रम चलाये जा रहे हैं। इसी क्रम में इस नए आदेश को लागू करने का निर्णय लिया गया है।

सामाजिक और राजनीतिक चर्चा

देश में वंदे मातरम को लेकर पहले भी बहसें और विवाद उठे हैं। कभी-कभी इसे लेकर सांस्कृतिक, धार्मिक और राजनीतिक बहस भी देखी जा चुकी है। ऐसे में यह नया सरकारी निर्देश भी सार्वजनिक चर्चा का विषय बन गया है, जिसमें जनता के बीच विभिन्न प्रतिक्रियाएँ सामने आ रही हैं।

Bengali Local News

সরকারি কর্মসূচিতে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে নতুন বিতর্ক

নয়াদিল্লি: প্রশাসনিক ও সরকারি উদ্যোগে আয়োজিত সমস্ত কর্মসূচিতে এবার থেকে জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বা বাজানো বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা একটি নির্দেশিকা ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা ও রাজনৈতিক বিতর্ক। নির্দেশে বলা হয়েছে, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের আওতায় আয়োজিত বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে নিয়মিতভাবে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করতে হবে।

নির্দেশিকার মূল কথা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নোটিস অনুযায়ী, প্রশাসনিক সভা, সরকারি অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণী, পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারি কর্মসূচিতে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গানটি চলাকালীন উপস্থিত সকলকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

এছাড়া নির্দেশে জানানো হয়েছে, যদি কোনও অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’ ও ‘বন্দে মাতরম’— দুটিই পরিবেশন করা হয়, সেক্ষেত্রে প্রথমে ‘বন্দে মাতরম’ এবং পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হবে।

ছয় স্তবক গাওয়ার নির্দেশ

এই নির্দেশিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল— ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রথম ছয়টি স্তবক সম্পূর্ণভাবে গাওয়ার নির্দেশ। এতদিন সরকারি অনুষ্ঠানে সাধারণত প্রথম দুটি স্তবকই পরিবেশন করা হত। নতুন নির্দেশে সেই প্রথায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য জাতীয় ঐতিহ্য ও ঐক্যের চেতনাকে আরও জোরদার করা।

কোথায় প্রযোজ্য, কোথায় নয়

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে,

সরকারি ও প্রশাসনিক অনুষ্ঠানে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারি কর্মসূচিতে

রাষ্ট্রপতি বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকেন এমন অনুষ্ঠানে

পদ্ম পুরস্কার সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে

এই নিয়ম কার্যকর হবে।

তবে সিনেমা হল বা চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্রে গানটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।

সরকারের ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। জাতীয় চেতনাকে আরও সুদৃঢ় করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেমের ভাবনা জাগ্রত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

শুরু বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়া

নির্দেশ জারির পর থেকেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। একাংশ এই সিদ্ধান্তকে জাতীয় সংস্কৃতির প্রতি সম্মান হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। বিরোধী শিবিরের দাবি, জাতীয় প্রতীক ব্যবহারে সংবেদনশীলতা ও সাংবিধানিক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নির্দেশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

ব্যাঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত ‘বন্দে মাতরম’ স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পেয়েছিল। পরবর্তীকালে সংবিধান অনুযায়ী ‘জন গণ মন’ জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃত হলেও ‘বন্দে মাতরম’ জাতীয় গান হিসেবে বিশেষ মর্যাদা পায়।

উপসংহার

সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক করার এই সিদ্ধান্ত জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত করেছে। আগামী দিনে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন কতটা নির্বিঘ্ন হয় এবং রাজনৈতিক বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর দেশবাসীর।

Hindi Local News

लोकसभा स्पीकर के खिलाफ अविश्वास प्रस्ताव पर सियासी हलचल, टीएमसी ने बनाई दूरी

नई दिल्ली: संसद के बजट सत्र के दौरान लोकसभा स्पीकर ओम बिरला के खिलाफ विपक्ष द्वारा लाए गए अविश्वास प्रस्ताव ने राष्ट्रीय राजनीति में नया विवाद खड़ा कर दिया है। कांग्रेस समेत कई विपक्षी दलों ने स्पीकर के खिलाफ औपचारिक नोटिस दिया है, लेकिन तृणमूल कांग्रेस (टीएमसी) ने फिलहाल इस प्रस्ताव से दूरी बनाए रखी है। इससे विपक्षी एकता को लेकर भी सवाल उठने लगे हैं।

Bengali Local News

লোকসভা স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে জল্পনা, বিরোধীদের পথ থেকে দূরত্ব রাখল তৃণমূল

নয়াদিল্লি: লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের আনা অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই ইস্যুতে বিরোধী শিবিরের অভিন্ন অবস্থান দেখা গেল না। কংগ্রেসসহ একাধিক বিরোধী দল অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে সই করলেও তৃণমূল কংগ্রেস আপাতত সেই পথে হাঁটেনি। ফলে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

You may have missed