কলকাতা: রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য চালু হওয়া যুব সাথী প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। রাজ্য সচিবালয় Nabanna সূত্রে জানানো হয়েছে, এবার থেকে এই প্রকল্পে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এতদিন পর্যন্ত নির্দিষ্ট শিবিরে গিয়ে অফলাইনে ফর্ম জমা দিতে হতো। তবে নতুন সিদ্ধান্তে আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রের খবর, রাজ্যের শিক্ষিত কিন্তু বেকার যুব সমাজকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে যোগ্য আবেদনকারীদের। এই সহায়তা চাকরির প্রস্তুতি, দক্ষতা উন্নয়ন বা স্বনির্ভর উদ্যোগ শুরু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে দাবি প্রশাসনের।
কীভাবে করবেন অনলাইন আবেদন?
আবেদন করতে হলে নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালে গিয়ে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর আবেদনকারীকে ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আধার ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ আপলোড করতে হবে। সমস্ত নথি সঠিকভাবে জমা পড়লে একটি আবেদন নম্বর দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আবেদনপত্রের অবস্থা জানা যাবে।
যাদের পক্ষে অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব নয়, তারা পূর্বের মতো শিবিরে গিয়েও আবেদন করতে পারবেন। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় কোথায় কোথায় শিবির বসছে, সেই তথ্যও সরকারি পোর্টালে পাওয়া যাবে।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য কী?
যুব সাথী প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল বেকার যুবকদের আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করা এবং তাঁদের কর্মসংস্থানের পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করা। বর্তমান সময়ে কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে প্রশাসন।
প্রশাসনের প্রস্তুতি
সূত্রের খবর, আবেদন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন করতে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধানে হেল্পডেস্ক চালু করার পরিকল্পনাও রয়েছে। আবেদনপত্র যাচাই ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে যাতে বিলম্ব না হয়, সে দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
যুব সমাজে সাড়া
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন বহু যুবক-যুবতী। তাঁদের মতে, অনলাইন ব্যবস্থার ফলে সময় ও খরচ দুই-ই কমবে। ফলে আরও বেশি মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন।
রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্ত যোগ্য আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী সুবিধা প্রদান করা হবে এবং পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখা হবে।
Senews Bangla এই প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত আপডেটের উপর নজর রাখছে। নতুন কোনও নির্দেশিকা বা ঘোষণা সামনে এলে দ্রুত তা পাঠকদের জানানো হবে।
কাটোয়া স্টেশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা বহু যাত্রীর প্রাণ
সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে জামাতের সাফল্য ঘিরে উদ্বেগ, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে কী প্রভাব পড়তে পারে?
কলকাতা: আধুনিক জীবনের ব্যস্ততার ভিড়ে স্বাস্থ্যকে প্রায়শই অবহেলা করা হয়। অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, ফাস্ট ফুডের বাড়তি ঝোঁক এবং তেল-মশলাদার খাবারের প্রতি আকর্ষণ ধীরে ধীরে শরীরের ক্ষতি ডেকে আনে। সম্প্রতি একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিবেদনে, যা প্রকাশিত হয়েছে ABP Live Bengali-এ, বিশেষজ্ঞরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—সুস্থ থাকতে গেলে প্রথমেই বদল আনতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ জীবনযাপনের মূল ভিত্তি হল নিয়ন্ত্রিত ও সুষম খাদ্য। অনেকেই ভাবেন মাঝে মাঝে ভাজাভুজি বা ফাস্ট ফুড খেলে বড় ক্ষতি হয় না। কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখনই, যখন এই ধরনের খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকার অংশ হয়ে ওঠে। অতিরিক্ত তেলযুক্ত, ঝাল-মশলাদার এবং রাস্তার ধারের অস্বাস্থ্যকর খাবার দীর্ঘমেয়াদে হজমের গোলযোগ, ওজন বৃদ্ধি, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি এমনকি হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে শাক-সবজি, ফল, ডাল ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি। আঁশযুক্ত খাবার হজমশক্তি উন্নত করে এবং শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জল শরীরের বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এবং ক্লান্তি দূর করে।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, শুধু কী খাচ্ছেন তা নয়, কখন খাচ্ছেন তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা বা রাতের দিকে ভারী খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। নির্দিষ্ট সময়ে পরিমিত খাবার গ্রহণ করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি সঠিকভাবে কাজ করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও সুবিধা হয়।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি ঝোঁক কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সফট ড্রিঙ্ক, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার ধীরে ধীরে শরীরে চর্বি জমায় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই এগুলিকে নিয়ন্ত্রণে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, সুস্থ জীবনযাপন মানে কড়া ডায়েট নয়; বরং সচেতনতা ও নিয়ম মেনে চলাই আসল চাবিকাঠি। প্রতিদিন সামান্য পরিবর্তন—যেমন বাড়িতে রান্না করা খাবার খাওয়া, নিয়মিত ফল খাওয়া এবং অতিরিক্ত তেল এড়ানো—দীর্ঘমেয়াদে বড় উপকার এনে দিতে পারে।
সর্বোপরি, সুস্থ শরীরই সুস্থ মনের ভিত্তি। তাই ব্যস্ততার মাঝেও খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। বিশেষজ্ঞদের মতে, আজ থেকেই ছোট ছোট পরিবর্তন শুরু করলে ভবিষ্যতে বড় অসুখের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
মা নেই, অটোতেই ঘুমায় ছোট্ট মেয়ে — জীবনের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এক অটোরিকশা চালক বাবা
নতুন জীবন গড়তে ঘর ছাড়েন বিবাহিতা, আধার OTP-তেই ফাঁস সব! উত্তরপ্রদেশে চাঞ্চল্যকর ঘটনা
ভালবাসার দিনে সিঞ্চলে তুষারপাত, দার্জিলিংয়ে রোম্যান্টিক আবহে ভেসে গেল পাহাড়
বাংলাদেশে বিএনপি-র জয়ের পর সীমান্ত বাণিজ্যে কী প্রভাব? ভারতীয় ব্যবসায়ীদের নজর ঢাকার রাজনৈতিক পালাবদলে